সহজ এবং নতুন উপায়ে অনলাইন উপার্জন ২০২১
প্রিয় পাঠক, স্বাগতম আপনাকে নতুন একটা কন্টেন্টে , আজ অনলাইন ইনকাম করতে কে না চাই ? তবে রাস্তা বা সঠিক ডাইরেকশন না পাওয়াই নিজের যোগ্য হিসেবে বা যোগ্য ছাড়াই কোন কাজ করা যাই তার জন্য গুগল বা ইউটুবে সার্চ দিয়ে যাই যেন কোনো একটা কাজ এর সন্ধান পেয়ে যাই
আজ অনলাইন উপার্জন সম্বন্ধে এক নতুন টেকনিক সোর্স আপনাদের সামনে তুলে ধরবো যা আপনার লাইফ চেঞ্জ করতে পারে।
তো চলুন জেনেনি কি সেটা,
বন্ধুরা আপনাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা হয়তো জানেন না যে অনলাইন উপার্জন করতে হলেও কিন্তুএকটা স্কিল বা দক্ষতা লাগে যে বিষয়ে আপনি মূলত আপনি কাজ করতে চাইছেন , ধরুন আপনি ফ্রীল্যান্সিং করবেন কিন্তু আপনাকে ফ্রীল্যানসিং সম্বন্ধে যথেষ্ট জ্ঞান বা স্কিল থাকা লাগবে।
আবার অনেকেই হয়তো ফ্রীল্যান্সিং কি সেটাই জানেন না তাহলে ফ্রেল্যাংসিং কাজ করার কথা মাথাই নিয়ে আসা ঠিক হবেনা কারণ ফ্রীল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে ফ্রীল্যান্সিং সম্বন্ধে ধারণা দক্ষতা দুটোই রাখতে হবে
>ফ্রীল্যান্সিং কি ?
ফ্রীল্যান্সিং হলো অনলাইন বা অফলাইনে কোনো দেশি বা বিদেশি ক্লায়েন্ট এর অফিসিয়াল বা ইন্টারনেট বা একাউন্টিং বিষয়ে মোবাইল বা ল্যাপটপ এর মাদ্ধমে কাজটা করে দেওয়া যেমন , ডাটা অন্যালয়টিস। ডেটা মাইনিং। ডেটা এন্ট্রি ,ডেটা অপারেটিং ,ইমেইলস কালেক্ট ,ইত্যাদি।
আর এই কাজ গুলো করার জন্য কিন্তু দক্ষতা লাগে বা শিখতে হয় অনলাইন বা অফলাইন যা জন্য আপনি ইউটুবে থেকে অনেক ভিডিও পেতে পারেন তবে তার আগে আপনার কম্পিউটার বেসিক নলেজ প্লাস টাইপিং স্কিল দুটোই তাহলে কিন্তু এই ফ্রীল্যান্সিং থেকে দ্রুত উপার্জন করতে পারবেন এমন কি হার্ড ওয়ার্ক করে যা ইনকাম করবেন তার চাইতে আপনি ফ্রেল্যাংসিং করে অনেক হরে ইনকাম করতে পারবেন রেগুলার।
অনলাইন উপর জন করার একটা খুব জনপ্রিয় এবং সহজ কাজ বাংলাদেশ এ এর হার প্রায় ১০% এর চাইতেও কম হতে পারে কারণ বাঙালিরা বেশি মানুষ অনলাইন মার্কেটিং বা ফ্রীলান্সিং করে কি ভাবে উপার্জন করা জিয়া সেটা জানে না.
তাই কম্পিটেশন বা প্রতিযোগিতাও খুব কম তবে বিশ্বজুড়ে দেখা যাই তবে ফিলান্সিং এ অনেক প্রতিযোগিতা তাই আমাদের এখন নতুন অনলাইন উপার্জন এর রাস্তা বার করতে হবে যদি আমরা ঘরে বসে মোবাইল বা ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ থেকে উপার্জন করতে চাই.
বন্ধুরা আজকের আমাদের মূল বিশ্লেষণ কিন্তু ফ্রীলান্সিং নই কেবল মাত্র ফ্রীলান্সিং সম্বন্ধে একটা ধারণা এবং কি ভাবে উপার্জন হয় তা তুলে ধরলাম
আর যদি কেও ফ্রেল্যাংসিং শিখে কাজ করতে চাই তাহলে নিচে ফ্রীলান্সিং এর ওয়েবসাইট গুলো উল্লেখ করা হলো।
এই হলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট যেখানে আপনি ফ্রীলান্সিং করতে পারেন কোনো ইনভেস্ট ছাড়াই অর্থাৎ কোনো ফী লাগেনা এই জন্য একে ফ্রীলান্সিং বলা হয়।
বন্ধুরা এবার আমি মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো
অনলাইন একটা কাজ করার সহজতর বিষয় হলেও সবাই কিন্তু সফল হতে পারেনা। সবাই সফল হতে পারেনা যায় কথা শুনো আসা হারাবেন আর্টিকেল টি পড়তে থাকুন। মূলত তারাই সফল হয়না যারা একবার চেষ্টা করার পর দ্বিতীয়বার আর চেষ্টা করতে চাইনা যার কারন তারা সফল হতে পারেনা।
আবার আপানকে আমি একটা সোর্স জানাবো যা খুবই সহজ করে নিতে পারবেন
যেটা আমি আপনাদের বলটা যাচ্ছি সেটা থেকে কিন্তু দুই থেকে তিন সাইড থেকে ইনকাম আসবে , কিন্তু সেটা কি করে ? নিশ্চই আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে সেটা কি করে হয়। ধরুন আমি সেটাই বলার জন্য খুব কষ্ট করে রিসার্চ করে তারপর আপনাদের জন্য এই আর্টিকেল বা কনটেন্ট টি প্রস্তুত করেছি
প্রথম সোর্স> ব্লোগ্গিং
দ্বিতীয় সোর্স >এফিলিয়াট মার্কেটিং
তৃতীয়সোর্স > ইউটুব শর্টস ভিডিও
BLOGGING:
ব্লোগ্গিং বা কনটেন্ট রাইটিং বা বাংলাতে লিখা লিখি যেটা আপনি ফ্রি তে BLOGGER.COM এর মাদ্ধমে নিজের আর্টিকেল কে পাবলিশ করে তার মধ্যে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে উপার্জন করতে পারবেন।
বিস্তারিত আলোচনা>
BLOGGER.COM হলো গুগল ডট কম একটা প্রোডাক্ট বা উপার্জন এর মাধ্যম যা গুগল নিজেই বিশ্বজুড়ে ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। এর তার মাধ্যমে গুগল ADS জুড়ে সেখানে ADS এর মাদ্ধমে আর্নিং হয় যেটা বিস্তারিত আপনি এক ইউটুবে ভিডিও দেখে নিতে পারেন।
মূল বিষয় আপনি এমন কিছু bogger.com এ লিখে পাবলিশ করুন যা মানুষের প্রয়োজনীয় যেমন ধরুন মোবাইল, টিভি। ফ্রীজ বা আরো কিছু ইলেক্ট্রনিক্স বা ডিভাইস এর ব্যাপারে সুন্দর করে লিখে পাবলিশ করুন। কি ভাবে পাবলিশ করবেন বা একাউন্ট করবেন সেটা এই ইউটুবে ভিডিও টি দেখুন
আসা রাখি ভিডিওদেখে বুঝতে পেরেছেন
আরো জানুন;
আপনি যে বিষয়ে লিখছেন সে বিষয়ে যথেষ্ট ইনফরমেশন রেখে তারপর লিখুন এবং তার সঙ্গে সেই আর্টিকেল এ সেই প্রোডাক্ট এর এফিলিয়াট লিংক জুড়ে দিন যেন কাস্টমার্ আপনার ওই লিংক এর মাদ্ধমে buy করে নিতে পারেন। এবার প্রশ্ন হলো এফিলিয়াট লিংক কি ভাবে বানাবেন প্রথমত আমাজন এফিলিয়াট প্রোগ্রাম জয়েন করুন তারপর সেখান থেকে প্রোডাক্ট গুলো বিস্তারিত ব্লগ এর মধ্যে লিখে সেই প্রোডাক্ট কে প্রোমোট করুন যার জন্য আপনি কমিশন পাবেন। আমি আগেই উল্লেখ করেছি যে এই নতুন মেথড থেকে আপনি তিন সাইড থেকে ইনকাম করতে পারবেন
যার একটা ব্লগ ,এফিলিয়াট, ইউটুবে শর্টস ভিডিও।
এবার আপনি সেই প্রোডাক্ট সমন্ধে ইউটুবে এ শর্টস ভিডিও বানান যার ডিউরেশন হবে ১ মিনিট বা তার নিচে মনে রাখেবন ১ মিনিট এর যেন বেশি না হয় তাহলে কিন্তু সেই ভিডিও আর শর্ট থাকবেনা।
শর্টস ভিডিও বানাবেন এবং মূল কথা তা কেবল তুলে ধরবেন এই যে যেমন, (২০২১ এ এক নিউ ব্র্যান্ড মোবাইল apple বা sumsung ,বা vivo লঞ্চ করেছেন অতয়েব দেখতে বা নিতে ইচ্ছুক হলে ডেসক্রিপশন লিংক দেয় আছে সেটা থেকে দেখেনিন) ব্যাস আপনার কাজ শেষ, এবার আরো একটা প্রশ্ন আপনার মনে আসছে সেটা হলো আমার তো সাবস্ক্রাইবার নেয় তাহলে কি করে সেল হবে ? চিন্তা করবেন না ভালো করে ট্যাগ লাগান আমাজন লিখে আর সব চাইতে ভালো কথা হলো ইউটুবে শর্টস ভিডিওতে আপনি খুব তাড়াতাড়ি ভিউস পেয়ে যাবেন আপনার সাবস্ক্রাইবার থাক আর না থাক এমন কি এই শর্টস ভিডিওর জন্য ইউটুব আপনাকেও পয়সা দিবেন monitization করে অথাৎ এক ঢেলে ৩তে পাখি।
আবার আপনাকে পরিষ্কার করি কথা গুলো প্রথমে ব্লগ লিখবেন তারপর সেখানে আমাজন এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করবেন তারপর সেই ব্লগ এর লিংক ইউটুবে শর্টস এর ডেসক্রিপশন এ রেখেদিন আর উপরে যা বলা হয়েছে সেগুলো বলুন বা আপনি আপনার নিজের মতো করে বলুন।
আমাজনএফিলিয়েট একাউন্ট কি ভাবে বানাবেন ? নিচের ভিডিও দেখুন
আসা রাখি এই পদ্ধতিটা বুঝতে পেরেছেন আর জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের কন্টাক্ট সেকশন থেকে আমাদের ইমেইল করতে পারেন
ব্লোগ্গিং এর আরো গাইড পেতে আমাদের আমি কিছু লিংক তুলে ধরলাম একটু দেখে নিতে পারেন।
কি ভাবে এস.ই.ও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখবো ?১০ টিপস।
কি ভাবে একজন ভালো কনটেন্ট রাইটার হওয়া যাই ?
6 টি ওয়েবসাইট থেকে কীভাবে বিনামূল্যে ট্র্যাফিক পাবেন ?
2021-এ কীভাবে গুগলে ছোট ওয়েবসাইটগুলি রাঙ্ক (RANK )করা যায় ?





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন